ধমনীতে ব্লকেজ থাকলে ছোট একটা ছিদ্র দিয়ে ক্যাথেটারের মাধ্যমে স্টেন্ট বসিয়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা হয় — কম ব্যথা, দ্রুত সুস্থতা।
আপনার লক্ষণ কী মিলছে?
যেগুলো মিলছে সেগুলো বেছে নিন — একাধিক বেছে নিতে পারেন।

পায়ের ধমনী সরু বা বন্ধ হয়ে গেলে হাঁটার সময় ব্যথা, পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া বা ঘা না শুকানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এন্ডোভাস্কুলার স্টেন্টিং পদ্ধতিতে একটা ছোট ছিদ্র দিয়ে ক্যাথেটারের মাধ্যমে ব্লকেজের জায়গায় একটা স্টেন্ট (ছোট ধাতব নল) বসিয়ে ধমনী খুলে দেওয়া হয়, যাতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। এতে বড় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না, ব্যথা কম হয় এবং সুস্থ হতে সময়ও কম লাগে। ডাঃ আরীফ এই আধুনিক, ন্যূনতম আক্রমণাত্মক পদ্ধতিতে অভিজ্ঞ।

হাতের ধমনী সরু বা বন্ধ হয়ে গেলে হাত অসাড় হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা বা ঠান্ডা অনুভূতির মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে যাদের ডায়ালাইসিস অ্যাক্সেসের জন্য ফিস্টুলা আছে তাদের ক্ষেত্রে এটা গুরুত্বপূর্ণ। এন্ডোভাস্কুলার স্টেন্টিং-এর মাধ্যমে একটা ছোট ছিদ্র দিয়ে ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে ব্লকেজের জায়গায় স্টেন্ট বসানো হয়, যা ওপেন সার্জারি ছাড়াই রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে। ডাঃ আরীফ এই পদ্ধতিতে অভিজ্ঞ, বিশেষত ডায়ালাইসিস-সংক্রান্ত ভাস্কুলার অ্যাক্সেস সমস্যায়।
চেম্বার হটলাইনে কল করে আপনার উপসর্গ জানান বা সিরিয়াল নিন।
আগে করা কোনো ডপলার/ডুপ্লেক্স স্ক্যান, আল্ট্রাসনো বা ব্লাড টেস্ট থাকলে সাথে আনুন।
ডাঃ আরীফ সহজ ভাষায় সমস্যা বুঝিয়ে দেবেন এবং করণীয় জানাবেন — কোনো দেরি ছাড়াই।
না। একটা ছোট ছিদ্র দিয়ে ক্যাথেটারের মাধ্যমে করা হয় বলে ব্যথা ও সুস্থ হওয়ার সময় সাধারণ অস্ত্রোপচারের তুলনায় অনেক কম।
হ্যাঁ, সাধারণত স্টেন্ট স্থায়ীভাবে বসানো হয় এবং ধমনীকে খোলা রেখে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে।
বেশিরভাগ রোগী কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেন — নির্ভর করে ব্লকেজের তীব্রতা ও সার্বিক শারীরিক অবস্থার ওপর।
না। ব্লকেজের অবস্থান ও তীব্রতা অনুযায়ী ওষুধ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন বা স্টেন্টিং — সিদ্ধান্ত নির্ভর করে পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।
আধুনিক এন্ডোভাস্কুলার প্রযুক্তিতে কম কাটাছেঁড়া, দ্রুত সুস্থতা — আজই কথা বলুন।