বাংলা EN
জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি

পিত্তথলি, হার্নিয়া ও অ্যাপেন্ডিক্সের মতো সমস্যার আধুনিক সার্জারি

ছোট ছিদ্র, কম ব্যথা, দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা।

আপনার লক্ষণ কী মিলছে?

যেগুলো মিলছে সেগুলো বেছে নিন — একাধিক বেছে নিতে পারেন।

পেটের উপরের ডানদিকে বারবার ব্যথা, তেল-চর্বিযুক্ত খাবারের পর বেশি
পেট ফাঁপা ও বারবার বদহজম
তলপেটে বা কুঁচকিতে ফোলাভাব, দাঁড়ালে বেশি বোঝা যায়
নাভির চারপাশে ফোলা বা স্ফীতি
ভারী জিনিস তোলার সময় পেটে চাপ বা টান অনুভব করা
নাভির চারপাশে ব্যথা শুরু হয়ে ডানদিকের নিচে সরে যাওয়া
হঠাৎ পেটে তীব্র ব্যথার সাথে বমি বমি ভাব ও জ্বর
পেটে চাপ দিলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া
পেটে দীর্ঘস্থায়ী চাপ চাপ ব্যথা বা ভারী লাগা
0টি লক্ষণ বাছাই করা হয়েছে
এটি একটি প্রাথমিক ধারণা মাত্র, আগেই ভেবে নিবেন না আপনার এই রোগটাই হয়েছে— সঠিক ডায়াগনসিস এর জন্য ডাঃ আরীফের সরাসরি পরীক্ষা প্রয়োজন
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দ্রুত ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে সমাধান সম্ভব — আগে আমাদের সাথে কথা বলুন।
জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি

যেসব সমস্যার চিকিৎসা করা হয়

হার্নিয়া

হার্নিয়া সার্জারি

হার্নিয়া হলো পেটের প্রাচীরের একটা দুর্বল অংশ দিয়ে ভেতরের অন্ত্র বা টিস্যু বাইরের দিকে বেরিয়ে আসা, যা প্রায়ই তলপেটে বা নাভির চারপাশে একটা ফোলাভাব হিসেবে দেখা যায়, বিশেষ করে দাঁড়ালে বা ভারী জিনিস তোলার সময় স্পষ্ট হয়। শুরুতে ব্যথাহীন হলেও সময়ের সাথে এটা বড় হতে পারে এবং অস্বস্তি বাড়াতে পারে। সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো টিস্যু আটকে যাওয়া (স্ট্র্যাংগুলেশন), যা একটা জরুরি অবস্থা এবং তাৎক্ষণিক অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়। ডাঃ আরীফ ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে হার্নিয়া মেরামত করেন, যা কম ব্যথা ও দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করে।

অ্যাপেন্ডিক্স

অ্যাপেন্ডিক্স সার্জারি

অ্যাপেন্ডিক্সে প্রদাহ হলে তাকে অ্যাপেন্ডিসাইটিস বলা হয়, যার সাধারণ লক্ষণ হলো নাভির চারপাশে ব্যথা শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পেটের ডানদিকের নিচে সরে যাওয়া, সাথে বমি বমি ভাব, জ্বর ও পেটে চাপ দিলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া। এটা একটা দ্রুত অগ্রসরমান সমস্যা — সময়মতো চিকিৎসা না করালে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গিয়ে পেটের ভেতরে মারাত্মক ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। ডাঃ আরীফ ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে (ল্যাপ কল) অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করেন, যা নিরাপদ ও দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করে।

গলব্লাডার / পিত্তথলির পাথর

গলব্লাডার / পিত্তথলির পাথর সার্জারি

পিত্তথলিতে ছোট ছোট শক্ত পাথর জমে গেলে তাকে গলস্টোন বলা হয়, যা প্রায়ই তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর পেটের উপরের ডানদিকে ব্যথা, পেট ফাঁপা বা বদহজমের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। কিছু ক্ষেত্রে ব্যথা পিঠ বা ডান কাঁধ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। চিকিৎসা না করালে পাথর নালীতে আটকে গিয়ে তীব্র প্রদাহ, জন্ডিস বা প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। ডাঃ আরীফ ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে ছোট ছিদ্র দিয়ে নিরাপদে পিত্তথলি অপসারণ করেন, যাতে দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়।

সফল সার্জারি· বছরের অভিজ্ঞতা· NICVD-এর সহকারী অধ্যাপক
কীভাবে সেবা নেবেন

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পাওয়া খুবই সহজ

কল বা মেসেজ করুন

চেম্বার হটলাইনে কল করে আপনার উপসর্গ জানান বা সিরিয়াল নিন।

রিপোর্ট সাথে আনুন

আগে করা কোনো আল্ট্রাসনো, সিটি স্ক্যান বা ব্লাড টেস্ট থাকলে সাথে আনুন।

স্পষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা পান

ডাঃ আরীফ সহজ ভাষায় সমস্যা বুঝিয়ে দেবেন এবং করণীয় জানাবেন — কোনো দেরি ছাড়াই।

সাধারণ প্রশ্ন

রোগীরা যা জানতে চান

ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি কি খোলা অস্ত্রোপচারের চেয়ে নিরাপদ?+

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হ্যাঁ — ছোট ছিদ্র দিয়ে করা হয় বলে ব্যথা কম, ইনফেকশনের ঝুঁকি কম এবং হাসপাতালে থাকার সময়ও কম লাগে।

গলস্টোন থাকলে কি সবসময় সার্জারি লাগে?+

লক্ষণ থাকলে বা জটিলতার ঝুঁকি থাকলে সাধারণত অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়, নাহলে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে — ডাঃ খাঁন আপনার নির্দিষ্ট অবস্থা মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

হার্নিয়ায় ব্যথা না থাকলেও কি চিন্তার কারণ আছে?+

হ্যাঁ, ব্যথাহীন হার্নিয়াতেও টিস্যু আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই মেরামত করানো সাধারণত পরামর্শ দেওয়া হয়।

অ্যাপেন্ডিক্স সার্জারির পর সুস্থ হতে কতদিন লাগে?+

ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে করলে বেশিরভাগ রোগী কয়েকদিনের মধ্যেই স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে পারেন।

পেটের সমস্যা অবহেলা করবেন না

গলস্টোন, হার্নিয়া বা অ্যাপেন্ডিসাইটিস — সময়মতো চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো যায়। আজই কথা বলুন।

কল করুন হোয়াটসঅ্যাপ